How do we define success when you're a student?


সফল শিক্ষার্থীরা জেনে থাকে যে কীভাবে পড়াশোনায় মনোনিবেশ করা উচিত যখন যখন তাদের প্রয়োজন হয় তখন বিরতি নেওয়ার ক্ষেত্রেও এটি গুরুত্বপূর্ণ। তারা তাদের সময়টি বিজ্ঞতার সাথে পরিচালনা করতে পারে, অর্থবহ অধ্যয়নের সময়সূচীতে আটকে থাকতে পারে এবং শ্রেণিকক্ষে তাদের বেশিরভাগ সময় কাটাতে পারে। প্রক্রিয়াটিতে, সফল শিক্ষার্থীরাও কীভাবে একটি ভাল সময় কাটাতে হয় তাও জানে এবং তারা জ্ঞান অর্জন করা তত বেশি পছন্দ করে যতটা তারা তারকীয় গ্রেড প্রাপ্তি উপভোগ করে।

প্রতিদ্বন্দ্বী মনােভাব

যখন আমরা ক্লান্ত হয়ে পড়ি বা বিশ্রাম নিই তখন আমাদেরকে ভাবতে হবে আমার প্রতিদ্বন্দ্বী এখন কি করছে। মনের আয়নায় দেখতে হবে যে সে আমায় হারিয়ে দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে তখন সেই হারার ভয়ই আমার প্রতিযােগীতার মনােভাব এনে দেবে এবং ক্লান্তি দূর করে দেবে।

দায়িত্ব

সফল হতে গেলে আমাদেরকে দায়িত্ব নিতে হবে। দায়িত্ব মানে ঝুঁকি “কাজ করলেই ভুল হবে আর ভুল হলেই প্রমােশন হবে না। আপনি যদি এই মনােভাব নিয়ে চলেন তাহলে আমাদের জীবন একই জায়গায় স্থির হয়ে রয়ে যাবে। স্থিরতার নাম কিন্তু জীবন নয়। তাই ভুল হবে জেনেও কাজ করতে হবে এবং ভুল হলে তা স্বীকার করতে হবে। ভূল শুধরে নেওয়ার চেষ্টা করতে হবে এবং তা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে।

পরিশ্রম

কঠোর পরিশ্রম ছাড়া কোনদিনই সাফল্য আসতে পারে না। কঠোর পরিশ্রমের কোন বিকল্প নাই। আমরা যা ভােগ করি তা কারাে না কারাে কঠোর পরিশ্রমের ফল। আমরা খুব সুন্দর খেলা দেখলাম। আসলে তার মধ্যে লুকিয়ে আছে খেলােয়াড়ের কঠোর পরিশ্রম। আপনি এই বইটির সুফল ভােগ করবেন যদি এটি আমার কঠোর পরিশ্রমের ফল হয়। 

চরিত্র

তােমার শত্রুর সংখ্যাই তােমার সাফল্যের মাপকাঠি। অতএব শত্রুকে ভয় নয় কামনা করতে শেখাে”। তুমি যতই সফল হবে তােমার শত্রু। সংখ্যা ততই বেড়ে যাবে কিন্তু তােমার উচিত নয় তাদের সঙ্গে শত্রুতা করা।

ব্যবহার কি রকম হওয়া দরকার

তােমাকে সুবিবেচক হতে হবে। কোন কাজে অজুহাত দেখালে চলবে । অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। কারাে খারাপ করে নিজের ভালর কথা ভাবাও অন্যায়। কারাে কোন বড়াে উপকারের জন্য যদি নিজের সামান্য কোন ত্যাগ স্বীকারের প্রয়ােজন হয় তবে তা করতে। হবে। বিজয়ীদের সম্মান জানাতে হবে। তােমার ব্যবহার ভাল হলে সবার। দয়া বর্ষণ হবে তােমার উপর যা তােমায় সফল হতে সাহায্য করবে।

পরিকল্পনা

সফল হতে গেলে আপনার ধারণা থাকা দরকার যে আপনি কোথায়। চলেছেন আর শেষে কি দেখতে চান। কি কাজ করতে চলেছেন সে সম্বন্ধে কোনাে ধারণা না থাকার মানে আপনি অন্ধকারের যাত্রি। নিশ্চিতভাবে জেনে রাখুন যে সব কিছুই নির্ভর করে সঠিক চিন্তা, ধারণা ও অনুভূতির উপর।

 নিজেকে চিনুন

আপনার নিজের ভাল দিকগুলাে আর যা ভাল নয় সেগুলােও ভাল। করে জানতে চেষ্টা করুন। নিজের কাজ থেকে যতটা সম্ভব আদায় করে নিন। নিজেকে আরাে যােগ্য করে তুলুন মনস্থির করে নিন আপনি এগিয়ে যাবেন উঠবেন অনেক উঁচুতে আর মনে রাখুন সত্যিকারের গ্রহণীয় বস্তু কখনােই হঠাৎ এসে যায় না। ।

ভুল সংশােধনের শিক্ষা

আমরা প্রতিনিয়ত ভুল করে চলেছি আর কাজ করলে তাে ভুল। হবেই। তবে আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে একই ভুল যেন বার বার না হয়। ভুল থেকেই শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। আর যদি শেখার ইচ্ছা থাকে তাহলে কি শিখেছি সে নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে কি এখনাে শেখা হয়নি সব সময় সে কথাই ভাবতে হবে।

নিজেকে প্রশ্ন করুন

সারাদিনের পর রাত্রে যখন কর্ম বিরতি ঘটবে তখন নিজেই নিজের মনকে প্রশ্ন করুন। আজকে আমি কি শিখলাম, কি কি ভুল আমি করেছি, সঠিক কি করা উচিত ছিল, তারপর আগামী দিনের কথা ভাবুন। মনে মনে ঠিক করে ফেলুন আগামী দিনে কি করা সবচেয়ে ভাল।

কল্পনা।

আমাদের কল্পনাই আমাদেরকে বাঁচিয়ে রাখে তাই কল্পনা করতে শিখুন। আপনি যদি কল্পনা করতে পারেন যে আপনি প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন সকলেই কে সম্মান দিচ্ছে, আপনি গর্বিত হচ্ছেন, আপনার জন্য আপনার। পরিবারের এবং পরিচিতদেরও গর্ব হয়। তাহলে আপনার সত্যিকারের সফল হওয়ার চেষ্টা বেড়ে যাবে।

সফলতা পেতে হলে

সফলতা পেতে হলে আপনাকে আগে কাজটা সম্বন্ধে জানতে হবে, তারপর কাজটা শুরু করতে হবে। কাজটা সঠিকভাবে শেষ করার সঙ্কল্প নিতে হবে। কাজটাকে ভালবেসে কাজের মধ্যে সম্পূর্ণ ঝাপিয়ে পড়তে হবে তবেই সফলতা আসবে।

পথ পরিবর্তন।

আপনি যদি একটা পথ পরিবর্তন করে অন্য পথে পা রাখেন তবে মনে মনে আপনাকে মেনে নিতে হবে যে আগে যে পথে ছিলেন সে পথটা ঠিক ছিল না। আর এখন যে পথে এসেছেন সেটাই সঠিক পথ। পুরানাে পথকে আর মনে স্থান দিলে চলবে না, তাহলেই আপনি নতুন পথে এগিয়ে চলতে পারবেন।

  অপরকে জানুন

আমরা শুধু নিজের কথাই ভাবি অপরকে জানার চেষ্টা করি না কিন্তু অপরকে না জানতে পারলে আমরা সফল হতে পারবাে না। তাই অপরকে জানতে হবে কিন্তু সে কাজটি বড়ােই কঠিন কারণ আমরা সবাই মুখােশ পরে থাকি। তাই যার সম্বন্ধে জানতে চাইবেন আগে তার মুখােশটা খুলতে হবে।

মুখােশ খুলবেন কি করে।

যার মুখােশ খুলতে চান আগে তার ভাল বন্ধু হন। সাধারণ পােশাক পরে তার সাথে দেখা করুন। আপনার দুর্বলতার কথা বলে তার থেকে পথ জানতে চান তাকে বড়াে করে দেখান, তার কথা মন দিয়ে শুনুন, তার উপর নির্ভরশীল হন, তার প্রশংসা করুন, তাকে বােঝান যে তার কৃপা পেয়ে আপনি ধন্য তাহলেই তার মুখােশ খুলে যাবে।

 কাটা সরান

পথে কাটা থাকলে আপনি যেমন বেশি পথ চলতে পারেন না। তেমনিই বেশিরভাগ মানুষ যদি আপনার বিপক্ষে হয় তাহলে আপনি সফলতা অর্জন করতে পারবেন না তাই মানুষকে আপন করে কাছে টেনে নিতে শিখুন। I ঘৃণার বস্তু আমরা কেউই ঘৃণার বস্তু হতে চাইনা আমরা সকলের ভালবাসা চাই। আমরা খারাপ লােকের থেকে সরে দাঁড়াই কিন্তু ভাল লােকের সংস্পর্শে যেতে চাই না কিন্তু, আমরা যদি আমাদের দোষ ত্রুটিগুলােকে দূরে সরাতে পারি ভাল মানুষের গুণগুলাে লক্ষ্য করি এবং তাকে নকল করতে চাই তাহলে আমরাও ভাল হতে পারবাে আর ভাল মানুষই সফল হতে পারে।

 সম্মান

মানুষ সম্মানের কাঙাল এই কথাটি খুবই সত্য। মানুষকে সম্মান দিন তিনি খুশি হবেন এবং তার মনের মধ্যে আপনার জন্য ভাল ধারণা জাগবে এবং তার ফলেই আপনি আপনার কাজে সফলতা পাবেন।

 সফলতার পথ।

সফলতার পথ সবসময় কণ্টকাকীর্ণ তাই আপনার সফলতার পথে বাধা বিপত্তি আসবেই সেক্ষেত্রে কিন্তু আপনাকে পিছিয়ে পড়লে চলবে । আগের থেকে শুধু সফলতার জন্য মুখিয়ে না থেকে বাধা দূর করার জন্য প্রস্তুত থাকুন তাহলে আপনার সফলতা আসবেই।

কাজের চিন্তা

যখন কিছু কাজ করবেন কিভাবে সেই কাজটিকে আরাে সুন্দর করা যায় সেই চিন্তা করতে হবে কারণ একই গতিতে কাজ, কাজের উন্নকি ঘটায় না তাই কাজ করতে করতেই কাজে আরাে সাফল্য আনার চেষ্টা করতে হবে। ।

ক্লান্তি

মানুষ কাজ করতে করতে কঠোর পরিশ্রমের ফলে বা অতিরিক্ত দুঃশ্চিন্তার ফলে ক্লান্ত হয়ে পড়ে তাই মাঝে মাঝে বিশ্রামের প্রয়ােজন হয়। তাই বলে কাজ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া চলবে না কারণ কাজ থেকে দুরে সরে গেলে জীবনে কোনদিনই সফলতা পাওয়া যাবে না।

 অধ্যবসায়।

আমাদের যদি লক্ষ্য স্থির থাকে তাহলে আমরা সঠিক ভাবে হেঁটে যেতে পারি কিন্তু আমরা যদি আমাদের কি লক্ষ্য তাই না জানি তাহলে কাজের অধ্যবসায় হারিয়ে ফেলি, কিন্তু অধ্যবসায় না থাকলে সফল। হওয়া যায় না তাই অধ্যবসায় বজায় রাখার জন্য লক্ষ্য নির্ধারণ করা খুবই জরুরি। ।

আত্ম গৌরব

সুষ্ঠুভাবে যদি আমরা আমাদের কোন কাজ সম্পন্ন করি কবে তা আমাদের সফলতার পথকে সরল করে তাই আমাদের উচিত কাজে ফাঁকি না দিয়ে নিজের চেষ্টায় সুষ্ঠুভাবে কাজ শেষ করা।

সঠিক কার্য করা।

আমাদের সব কাজকেই সর্বাঙ্গসুন্দর করে শেষ করতে হবে, আমি আজ যদি তাড়াতাড়ি করে কোন মূর্তি তৈরী করি এবং সেটা নিখুঁত না হয় তাহলে সবাই যখন সেই মূর্তি দেখবে তখন তাদের চোখে সবার আগে ধরা পড়বে সেই খুঁতগুলাে। তারা কেউই জানতে চাইবে না আমি মূর্তিটা অনেক সময় নিয়ে সম্পূর্ণ করেছি না খুব অল্প সময়ে সম্পূর্ণ করেছি তাই আমাদের উচিত সময় একটু বেশি লাগে লাগুক কিন্তু কাজটা নিখুঁতভাবে সম্পূর্ণ করতে হবে। ।

কাজের পুরস্কার

কাজের পুরস্কার পাওয়া যায় কাজের শেষে তাই আমাদেরকে সেই পুরস্কার পাওয়ার জন্য কাজটি অবশ্যই শেষ করতে হবে, আমরা যদি আমাদের কাজ মনের মতাে করে শেষ করতে পারি তাহলে আমাদের মনে যে আনন্দ হবে তাই আমাদের কাজের পুরস্কার। তাই অনেক বড়াে কাজ কোনরকম শেষ করার চেয়ে কোন ছােট কাজ ভালভাবে শেষ করাই অনেক ভাল।

সহজ পথ।

আমরা বেশির ভাগ মানুষই ভাবি সকল সমস্যার সমাধানই সহজ কিন্তু তা একদিন কঠিন আকার ধারন করে। সহজ সমাধান খোঁজা মানে অলসতার পরিচয় দেওয়া নয়। বেশির ভাগ মানষ লটারী কেটে ধনীলােক হতে চায় কিন্তু লটারী কেটে ধনী হয়েছে এরকম লােক খুবই কম হিসাব করে দেখলে দেখা যাবে একটা লােক যা টাকার লটারী কাটে সেই টাকা। যদি সে জমাতে পারতাে তাহলে সে আপনা আপনিই ধনী হয়ে যেত তাই আমরা যদি সত্যিকার সফল হতে চাই তাহলে আমাদের সহজ পথ খুঁজলে হবে না।

  লােভ

লােভ মানুষের মনুষ্যত্বকে মেরে ফেলে তাই যদি মানুষের মতাে। মানুষ হয়ে বাঁচতে চান তাহলে মন থেকে লােভকে বার করে ফাসির দড়িতে ঝুলিয়ে দিন। এ কথাটা সত্যি যে লােভ আমাদের পারিবারিক সম্পর্ক, বন্ধুত্ব সবকিছুকে তিক্ত করে তােলে। তাই সুখি হয়ে বাঁচতে গেলে লােভকে ত্যাগ করতে হবে।

লােভ ত্যাগ করার উপায়

মানুষের দুর্বল মন দারুন লােভী কিন্তু লােভকে পরিহার করতে হবে। কিন্তু কি করে? আপনার মনে লােভ জাগলে নিজেই নিজের মনকে প্রশ্ন করুন আপনি যেটির লােভ করেছেন সেটি আপনার সামর্থের মধ্যে, সেটি কি সত্যিই আপনার দরকার। ঐ জিনিসটি যদি আপনি পান তাহলে। কি সত্যিই আপনি সুখী হবেন। তাহলেই আপনি আপনার মনের থেকে সকল প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন। ।

প্রতিবাদ ও সমর্থন

কিছু কিছু মানুষ আছে যারা অন্যায় মেনে নিতে পারে না আবার প্রতিবাদও করেন না। ন্যায়কে ভালবাসেন তবুও সরাসরি সমর্থন করতে পারেন না কিন্তু আপনি যদি সফল হতে চান তাহলে কোন একটিকে মেনে নিতে হবে আর আপনি যদি তা না করে দুটোর মাঝখান দিয়ে যান তাহলে লক্ষ্যে পৌঁছতে পারবেন না। কোন একটি কাজ হয় আমি পারবাে হয় আমি পারবাে না দুটো ক্ষেত্রেই আপনার ধারণা ঠিক কিন্তু আপনি যদি পারবেন না জেনেও কোনও রকমে করার সঙ্কল্প নিলেন কিংবা পারবেন জেনেও শুরু করলেন না সেক্ষেত্রে আপনার জন্য অসাফল্যই হাত বাড়িয়ে থাকবে।

মানুষের প্রকারভেদ

পৃথিবীতে তিন ধরনের মানুষ আছে একদল মানুষ ঘটনা ঘটান। একদল মানুষ ঘটনা ঘটতে দেখেন আর একদল মানুষ ঘটনা ঘটতে। দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেন এবার আপনি ঠিক করুন আপনি ঘটনা ঘটাবেন না কি শুধু ঘটনা ঘটতে দেখবেন নাকি ঘটনা ঘটতে দেখে। বিস্ময় প্রকাশ করবেন।

জয়ের প্রস্তুতি

 জয়ী হওয়ার ইচ্ছা সকলেরই আছে কিন্তু জয়ের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করেন খুব কম মানুষ। প্রস্তুতি মানে পরিকল্পনা ও অনুশীলন, কাজ করতে গেলে মানুষ ব্যর্থ হয় তাই প্রস্তুতি নিতে হবে ব্যর্থতাকে সহ্য। করার জন্য নয় ভুল থেকেই আমাদেরকে শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে, লক্ষ্য রাখতে হবে একই ভুল যেন দুবার না হয়। ।

ভুল সংশােধনের উপায়।

যদি আমাদের ভুল হয়, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে তা স্বীকার করতে হবে, ভুলের জন্য অনুতাপ করার সময় রাখলে চলবে না, ভুল থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে ভুলকে মনের মধ্যে পুষে রাখতে হবে। নিজের ভুলের জন্য অন্য কাউকে দোষ দেওয়া চলবে না বা কোনাে অজুহাত দেখানাে যাবেনা। কি কারণে ভুল হলাে তা বিচার করতে হবে। তাহলেই আমরা নিজেরাই আমাদের ভুলের সংশােধন করবে পারবাে। তাহলে একই ভুল আর দ্বিতীয় বার হবেনা।

 সফল হতে হলে কি করতে হবে।

 প্রথমেই সফল হওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে, পরিকল্পনা ও অনুশীলন দ্বারা প্রস্তুতি নিতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ধৈর্য ধরতে হবে, আদর্শে দৃঢ় থাকতে হবে কাজটি আমি শেষ করবােই” এই ধরনের। মনােভাব নিতে হবে। আমরা অনেক সময় ভয়ে কিছু করতে পারি না, কিছু করার আগেই মনে ভয়ের জন্ম হয়, কাজ শুরু করার আগেই ভাবি যদি ব্যর্থ হই। যদি ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলি, যদি হঠাৎ কোনাে বাধা আসে, বাধা অতিক্রম করার জন্য যদি প্রস্তুত না থাকতে পারি শেষ প্রান্তে যাওয়ার আগেই যদি ফিরে আসতে হয়। এই ভয়ের ফলে আমরা এগিয়ে চলতে পারি না।' কিন্তু নিজেরাই অজান্তে আমরা অনেক পিছিয়ে আসি এতে হয়তাে। আমরা একটু স্বস্তি পাই কিন্তু প্রকৃতপক্ষে আমরা আরাে সমস্যায় জড়িয়ে। পড়ি।

Post a Comment

0 Comments