Sea underwater - What is there and how this like.


সমুদ্রের প্রাণী

 ডাঙার মতাে সমুদ্রেও আছে এক বিশাল প্রাণীজগৎ। এককোষী প্রাণী থেকে বহুকোষী প্রাণী সবই এখানে দেখতে পাওয়া যায়। কত বিচিত্র এদের রূপ। রং-বেরঙের সুন্দর প্রাণীদের যেমন এখানে দেখতে পাওয়া যায় তেমন দেখতে পাওয়া যায় ভয়ংকর কিম্ভুতকিমাকার প্রাণীদেরও। এদের মধ্যে কেউ-কেউ থাকে জলের ওপরে ভাসমান অবস্থায়, কেউ-কেউ থাকে অগভীর জলে, আবার অনেকের দেখা পাওয়া যায় গভীর সমুদ্রে গাঢ় অন্ধকার অঞ্চলে। কেউ বা অতি নিরীহ, আবার কেউ অতি ভয়ংকর হিংস্র। এ ছাড়াও আছে বহু বিচিত্র স্বভাবের প্রাণী যাদের কাণ্ডকারখানা আমাদের অবাক করে দেয়। 

প্ল্যাঙ্কটন : সমুদ্রের জলে সবচেয়ে বেশি যে-জীবকে দেখতে পাওয়া যায়। তা হল প্ল্যাঙ্কটন। এরা বিশাল বিশাল এলাকা জুড়ে ঝুঁকে-ঝকে জলের ওপরে ভেসে থাকে। প্ল্যাঙ্কটন দু-ধরনের—ফাইটো প্ল্যাঙ্কটন ও জুপ্ল্যাঙ্কটন। প্রথমটি শ্যাওলা জাতীয় উদ্ভিদকণা ও পরেরটি অতিক্ষুদ্র প্রাণী। প্ল্যাঙ্কটন মাছের প্রিয় খাদ্য। অই প্ল্যাঙ্কটন যেখানে থাকে সেখানে প্রচুর মাছ দেখতে পাওয়া যায়। এরা চলাফেরা করতে পারে না। শুধু ঢেউয়ের তালে দোল খায়। 

অ্যামিবা : প্রাচীনতম এককোষী প্রাণী। এরা চলাফেরা করে কৃত্রিম পায়ের সাহায্যে। এই ধরনের পা-কে বলা হয় স্যুডােপােডিয়াম। এরা খাদ্য গ্রহণও করে এই কৃত্রিম পা-এর সাহায্যে। এদের খালি চোখে দেখা যায় না। বংশ বিস্তারের সময় এরা দু-ভাগে ভাগ হয়ে যায়। মৃত্যুর পর এরা সমুদ্রের নীচে জমা হয়। 

ফ্ল্যাজেলেটস ঃ এরা অ্যামিবা থেকে সামান্য উন্নত। এদের গায়ে একটা নরম খােলস থাকে। দেহের একপ্রান্তে সরু চুলের মতাে একটি গঁড় দেখতে পাওয়া যায়। এর সাহায্যেই এরা চলাফেরা করে। এরা গােষ্ঠীবদ্ধ হয়ে থাকতে ভালােবাসে। এদের একটি প্রজাতি ইউগ্লিনার শরীরে ক্লোরােফিল পাওয়া যায়।

  স্পঞ্জ : এরা বহুকোষী প্রাণী। চলাফেরা করতে পারে না। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সমুদ্রের নীচে একই জায়গায় এরা নিশ্চল হয়ে পড়ে থাকে। দেখে বােঝার উপায় নেই যে, এদের দেহে প্রাণ আছে। ছােটো-ছােটো অসংখ্য ছিদ্র দেহে। সমুদ্রের জল ছিদ্রপথে প্রবেশ করলে তার সঙ্গে মিশে থাকা অক্সিজেন ও খাদ্যকণা এরা। গ্রহণ করে এবং জল ও বর্জ্য পদার্থ শরীর থেকে বের করে দেয়। এদের দেহে চাপ দিলে বিকৃতি ঘটে। আবার ছেড়ে দিলে আগের অবস্থায় ফিরে আসে। এদের দেহ নানা ধরনের হয়। কোনােটা গাছের মতাে কোনােটা সরু লম্বা চোঙের মতাে, আবার কোনােটা দলা পাকানাে পিণ্ডের মতাে।

ঝিনুক ও শামুক : এদের গায়ে একটা শক্ত খােলস থাকে। এটি মূলত ক্যালসিয়াম কার্বনেটের আবরণ। এরা দলবদ্ধভাবে থাকে।

 খড়ি ও প্রবাল : প্রবাল এক ধরনের ক্ষুদ্র কীট। সমুদ্রে এরা এক-একটি দলে প্রায় কয়েক হাজার কোটি করে দলবেঁধে থাকে। এদের দেহ থেকে চুনের মতাে এক ধরনের রস বের হয়। মৃত্যুর পর এদের দেহ সমুদ্রের শামুক তলায় জমে-জমে এক-একটা দ্বীপ তৈরি হয়। এগুলােকে বলে প্রবাল দ্বীপ। এই দ্বীপগুলি অনেকটা আংটির মতাে দেখতে হয়। এদের চারপাশে ডাঙা ও মাঝখানে জল থাকে। প্রশান্ত মহাসাগর, ভারত মহাসাগর, ভূমধ্য সাগর ও আরব সাগরে এরকম অনেক প্রবাল দ্বীপ আছে।। 

খড়িদের দেহ থেকে চুনের মতাে যে-রস বের হয় সেগুলি জমে সমুদ্রের তলায় খড়ি পাহাড় তৈরি হয়। ইংল্যান্ডের ডােভারে এরকম একটি খড়ি পাহাড়। আছে। এরা উয়ুমণ্ডলের বাসিন্দা। 

জেলিফিশ ঃ এরা দেখতে অনেকটা ঘণ্টার মতাে। মুখটা মাঝখানে ঝুলে থাকে। দেহটা জেলির মতাে। থলথলে, অর্ধস্বচ্ছ। দেহের চারপাশে থাকে কর্ষিকা। এগুলি খুব লম্বা হয়। এরা সাধারণত চলাফেরা বা সাঁতার কাটতে পারে না। তবে পেশি সংকোচন করে দেহ থেকে ফিনকি দিয়ে জল বের করে তার ধাক্কায় একটু-আধটু এদিক-ওদিক সরতে পারে। এরা খুবই বিষাক্ত। এদের কামড়ে মানুষেরও মৃত্যু হতে পারে। মাঝে-মাঝে ঢেউয়ের ধাক্কায় এরা সমুদ্রের তীরে ছিটকে পড়ে। 

সাগর কুসুম ঃ এরা এক অদ্ভুত প্রাণী। অনেকটা জেলিফিশ ফোটা ফুলের মতাে দেখতে। ওপরের দিকে পাপড়ির মতাে দেখতে উপাঙ্গগুলি ধীরে-ধীরে নড়াচড়া করে। এগুলি দিয়েই এরা শিকার ধরে। উপাঙ্গগুলির মাঝখানে থাকে এদের মুখ। শরীরটা ফাপা হয়। নড়াচড়া করতে পারে না। তবে অনেক সময় এরা সন্ন্যাসী কাকড়ার পিঠে চেপে সাগর ভ্রমণে। বের হয়। যদিও এই ভ্রমণ খুবই অল্প জায়গার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। 

তারা মাছ নামের সঙ্গে এদের আকৃতির খুব মিল আছে। শরীরটা চ্যাপটা। মাঝখানটা অনেকটা গােল চাকতির মতাে। এর চারপাশে রয়েছে নরম মাংসের পাঁচটা উপাঙ্গ। এগুলােকে নলপদ বলে। সাধারণত এগুলাে ফাপা হয়। এই নলপদের সাহায্যে এরা চলাফেরা করে এবং শিকার ধরে। অনেক সময় এরা শিকার ধরে পাকস্থলিটিকে মুখ তারা মাছ দিয়ে উগড়ে শিকারের ওপর ফেলে দেয়। পাকস্থলি থেকে বেরিয়ে আসা পাচক রসের সাহায্যে শিকারটিকে হজম করা হয়ে। গেলে পাকস্থলিটিকে আবার মুখের ভেতর টেনে ঢুকিয়ে নেয়।

 স্কুইড ঃ সমুদ্র দানব বা সি মনস্টার নামে পরিচিত প্রাণীটি আসলে স্কুইড। এরা। কুড়ি-তিরিশ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। এই বিশাল দেহ নিয়েও এরা জলের মধ্যে তীরবেগে ছুটতে পারে। এদের ছােটার পদ্ধতি বড়াে অদ্ভুত। প্রথমে এরা শরীরের ভেতরে জল টেনে নেয়। তারপর তা তীব্রবেগে পিচকারির মতাে বের করে দেয়। তারই প্রতিক্রিয়ায় এরা দূরন্ত গতিতে ছুটতে স্কুইড থাকে। এদের মাথার কাছে আটটি ছােটো এবং দুটি বড়াে গঁড় থাকে। এই শুড়ের। সাহায্যে এরা শিকার ধরে। শত্রুর হাত থেকে বাঁচার জন্য এরা বাদামি কালির মতাে এক ধরনের রস দেহ থেকে বের করে জলে ছিটিয়ে দেয়। এতে জল ঘােলা হয়ে যায়। তখন এরা শত্রুকে বােকা বানিয়ে পালিয়ে যায়। 

কাটল ফিশ ঃ এরা অনেকটা স্কুইডের মতােই। তবে এদের শরীর স্কুইডের মতাে অত লম্বা না হয়ে চওড়া হয়। 

 অক্টোপাসও অদ্ভুত দর্শনের এই প্রাণীটি স্কুইডের মতাে অত বড়াে হয় না। এদের শরীর সাধারণত গােলাকার হয়। মাথার কাছে আটটা খুঁড় থাকে যা দিয়ে এরা শিকার ধরে। সাধারণত এরা এক জায়গায় থাকতে ভালােবাসে। তবে প্রয়ােজনে দ্রুত এক জায়গা থেকে আর-এক জায়গায় সরে যেতে পারে। আত্মরক্ষার জন্য এরা কালির মতাে এক ধরনের রস ছিটোয়। ডিম ফুটে বাচ্চা বের হওয়ার পর মা-অক্টোপাসের মৃত্যু হয়। কোনাে-কোনাে জায়গার লােকেরা অক্টোপাসের মাংস খায়।

 সি হর্স : দাবা খেলতে যেসব খুঁটি ব্যবহার করা হয় তাতে একটি আড়াই চালের খুঁটি থাকে। খুঁটিটি অক্টোপাস একটি ঘােড়ার মাথার মতাে দেখতে। সি হর্স মাছের মাথাও অনেকটা সেইরকম দেখতে। তাই এদের মাছ বলে মনে হয় না। এদের লেজ শরীরের তুলনায় বেশ লম্বা। পুরুষ সি হর্সের পেটের কাছে একটা থলি থাকে। স্ত্রী সি হর্স এই থলিতে ডিম পাড়ে। এরপর ডিম ফুটে বাচ্চা বের হওয়া পর্যন্ত যাবতীয় দায়িত্ব পুরুষ সি হর্সের। 

 হাঙর ঃ হাঙরের নাম শুনলে ভয়ে আমাদের বুক কেঁপে ওঠে। আবার অবাক হই যখন শুনি হাঙর এক ধরনের মাছ। মাছেদের মধ্যে সবচেয়ে হিংস্র এরাই। নানা জাতের হাঙর আছে। হােয়েল শার্ক সবচেয়ে বড়াে। এরা লম্বায় প্রায় তিরিশ- চল্লিশ ফুটের মতাে হয়। হ্যামার হেডেড শার্কের মাথাটা দেখতে হাতুড়ির মতাে। এদের রাক্ষুসে খিদে।

 স্টিং রে : এরা হাঙরের জ্ঞাতি হলেও আদৌ হাঙরের মতাে দেখতে নয়। এরা দেখতে অনেকটা সরু লম্বা লেজ লাগানাে ঘুড়ির মতাে। এই লেজের ডগায় থাকে করাতের মতাে সরু-সরু দাঁত। আক্রান্ত হলে আক্রমণকারীকে এরা এই লেজ দিয়ে চাবুকের মতাে আঘাত করে। 

ইল বা বাইন মাছঃ লম্বাটে ধরনের মাছ। এরা এক জায়গায় স্থির হয়ে থাকতে পারে না। সি হর্স মাছ সমুদ্রের এক প্রান্ত থেকে আর-এক প্রান্ত ঘুরে বেড়ায়। ডিম পাড়ার সময় এলে এরা নদী বা হুদে আশ্রয় নেয়। সেটাই হয় তাদের শেষ ভ্রমণস্থল। কারণ, ডিম পাড়ার পরই এদের মৃত্যু হয়। ডিম ফুটে বাচ্চা বের হওয়ার পর একটু বড়াে না হওয়া পর্যন্ত এরা ওই নদী বা হ্রদেই থাকে। তারপর একদিন রওনা দেয় সমুদ্রের উদ্দেশ্যে। শুরু হয় তাদের ভবঘুরে জীবন। কোনাে-কোনাে ইল মাছের শরীর থেকে বিদ্যুৎপ্রবাহ বের হতে দেখা যায়। এই বৈদ্যুতিক ইল বা বাইন মাছেরা ভয়ংকর হয়। অনেক সময় এদের দেহ থেকে তিনশাে ভােল্টের মতাে বিদ্যুৎ বেরিয়ে আসতে দেখা যায়। ইল মাছ ছাড়াও আরও অনেক মাছের দেহ থেকে বিদ্যুৎপ্রবাহ বের হতে দেখা যায়। এদের মধ্যে উল্লেখযােগ্য স্কেট মাছ, বজ্র মাছ ইত্যাদি। 

ইলিশ মাছও সমুদ্রের মাছ। এরাও ডিম পাড়তে নদীতে আসে। তারপর আবার ফিরে যায় সমুদ্রে। 

উড়ুক্কু ঃমাছ ও মাছেদের মধ্যে এরাই একমাত্র উড়তে পারে। তবে পাখির মতাে নয়। জল থেকে লাফ দিয়ে পাখনা মেলে ত্রিশ-চল্লিশ সেকেন্ডের জন্য এরা। হাওয়ায় ভেসে থাকতে পারে। এই সময় এদের গতিবেগ ঘণ্টায় প্রায় চল্লিশ মাইলের মতাে হয়। তিমি ঃ তিমিকে মাছ বললেও প্রকৃতপক্ষে এরা মাছ নয়। সমুদ্রের সবচেয়ে বড়াে প্রাণী এরা। এরা ডিম পারে না। এদের সরাসরি বাচ্চা হয়। বাচ্চারা মায়ের দুধ খেয়ে বড়াে হয়। উত্তর ও দক্ষিণ মহাসাগরে এদের সবচেয়ে বেশি দেখতে পাওয়া তিমি যায়। এরা এক নাগাড়ে বেশিক্ষণ জলের নীচে থাকতে পারে না। মাঝে-মাঝেই জলের ওপর ভেসে ওঠে। তারপর আবার যখন জলে ডুব দেয় তখন মাথার ফটো দিয়ে ফোয়ারার মতাে জল বের হতে দেখা যায়। তিমি নানা প্রজাতির

 সমুদ্র থেকে যেসব সম্পদ আমরা পাই তার মধ্যে সবচেয়ে বড়াে সম্পদ মাছ। প্রতি বছর প্রচুর মাছ ধরা হয় সমুদ্র থেকে। ভারতে সামুদ্রিক মাছের চাহিদা কিছুটা কম হলেও পৃথিবীর অন্যান্য দেশে এর চাহিদা ব্যাপক। সমদ্র থেকে সবচেয়ে বেশি মাছ তােলে জাপান। যেসব মাছ ধরা হয় তাদের মধ্যে হেরিং, টুনা, কড, সার্ডিন, স্যামন, হ্যাডক, ম্যাকারেল ইত্যাদি প্রধান। কড মাছের তেল নানা কাজে লাগে। আগামীদিনে মাছের জোগান ঠিক রাখার জন্য সমুদ্রে কৃত্রিম উপায়ে মাছ চাষের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। সমুদ্র বায়ু থেকে বিদ্যুৎ তৈরি হচ্ছে

বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রেও সমুদ্র আমাদের। সাহায্য করে। সমুদ্র বায়ু ও সমুদ্র স্রোত থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। সমুদ্রের জলের ওপরের দিকের উন্নতা পঁচিশ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মতাে। আর এক হাজার ফুট নীচে গেলেই এই উয়তা কমে দাঁড়ায় পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই উয়তার হেরফের থেকেও বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব। 

সমুদ্রের নীচে রয়েছে নানা ধরনের খনিজ পদার্থ ও রত্ন। বহুদিন ধরে আমরা সমুদ্র থেকে মুক্তো সংগ্রহ করছি। ইদানীং মুক্তোর চাষও করা হচ্ছে।। 

 পৃথিবীতে তেলের ভাণ্ডারগুলিতে যে পরিমাণে তেল আছে তা এই শতাব্দীতেই শেষ হয়ে যাবে। বিজ্ঞানীদের অনুমান সমুদ্রের মহীসােপানগুলিতে লুকিয়ে আছে। প্রচুর তেল। সেগুলি খুঁজে পেলে আগামীদিনে জ্বালানির সমস্যা থাকবে না।। 

পৃথিবীতে যে-হারে জনসংখ্যা বাড়ছে তাতে ভবিষ্যতে বসবাসের জমি আর পাওয়া যাবে না। তাই সমুদ্রের জলে ভাসমান শহর তৈরির ভাবনা-চিন্তা শুরু হয়েছে। কীভাবে তৈরি হবে এই শহর? বিশাল এক নৌবহর গড়ে তুলে ভাসিয়ে ওয়া হবে সমুদ্রের জলে। এখানে অত্যাধুনিক শহরের সমস্ত সুযােগ সুবিধা। থাকবে। বিজ্ঞানীদের মতে এই ধরনের শহর গড়ে তােলার উপযুক্ত জায়গা। ককটক্রান্তি ও মকরক্রান্তির মধ্যবর্তী সমুদ্র অঞ্চল। 


পৃথিবীতে যদি জলের পরিমাণ কম হয়ে স্থলের পরিমাণ বেশি হত তাহলে পৃথিবীর ছবিটাই পালটে যেত। এত জীব বৈচিত্র্য দেখা যেত না। বরং পৃথিবীর বেশিরভাগ অঞ্চলই শুষ্ক মরুভূমিতে পরিণত হত। তাই সমুদ্রের এই বিপুল জলরাশি। আমাদের কাছে আশীর্বাদ স্বরূপ।

Post a Comment

0 Comments